
ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং নিয়ে ভয়ংকর সিন্ডিকেট বানিজ্যের অভিযোগ।
নিজস্ব প্রতিবেক,
বাংলাদেশের পাশবর্তী দেশ ভারতের ভিসা জটিলতা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ একটি বিশাল ভয়ংকর চক্র ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং নিয়ে একটি সিন্ডিকেট ভিসা বানিজ্য করে আসছে বলে জানা যায়,
ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত বিশ্বে অধিকাংশ রাষ্ট্র গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভুটান, নেপালসহ আরো ৪/৫ টি দেশের ভিসা প্রসেসিং অনুমোদন সেন্টার বা এজেন্সি ভারতের দিল্লিতে অবস্হিত, তাই বিভিন্ন দেশের নাগরিকগন বাধ্যহয়ে ওয়ার্কপারমিট বা অন্যান্য সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং অনুমোদন জন্য ভারতের দিল্লিতে যেতে হয়, কিন্ত গত প্রায় ১ বছর যাবত বাংলাদেশের নাগরিকদের ভারতে ভিসা বন্ধ করে দেওয়ায় ভোক্তভোগী ভিসা প্রার্থীরা চরমভাবে আর্থিক ও মানসিকভাবে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে।অনুসন্ধানে জানা যায় স্বাভাবিক ভাবে ভারতের কেন ভিসা না পাওয়া গেলেও কিছু অসাদু সিন্ডিকেট বিভিন্ন মাধ্যমে ২ লাখ টাকার কন্টাকচুক্তির বিনিময়ে ভারতের ভিসা দিচ্ছে, একবস্হায় সাধারণ ভিসা প্রার্থীরা আর্থিকভাবে চরম হয়রানির স্বীকার হচ্ছে, জানা যায় ইউরোপের ওয়ার্কপারমিট ধারী লোকজন সাধারনভাবে ভারতের ডাবলএন্ট্রি ভিসা পাচ্ছেনা কিন্তু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ২ লাখ টাকা দিলে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ভারতের ভিসা দেওয়া হচ্ছে, এরই একজন ভুক্তভোগী বাংলাদেশের ভিসাপাওয়া মহিলা বলেন অনেক দিন ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং বন্ধ থাকায় আমি ভারতের দিল্লিতে আমার ডাবলএন্ট্রি ভিসা প্রসেসিং করতে হচ্ছে তাই বাধ্য হয়ে আমি২ লাখ টাকা দিয়ে আমি দালালের মাধ্যমে আমার ভিসা করতে হয়েছে এর জন্য বাংলাদেশের কিছু ট্রাবেলএজেনসিকে দায়ী করেছেন এই ভুক্তভোগী, বাংলাদেশের কিছু ট্রাভেল এজেন্সি এ সুযোগে সাধারন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাই বাংলাদেশের ভিসা পাওয়া ভুক্তভোগীরা আশা করেছেন ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং স্বাভাবিক ভাবে পাওয়া এবং সহজভাবে যাতায়াতের সূ ব্যবস্হা গ্রহন করার জন্য বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে উক্ত বিষয়টি নিয়ে একটি সুন্দর সমাধান করবেন বলে মনে করেন, এবং সিন্ডিকেটের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।